শ্যামনগরে সন্তান সহ গৃহবধূকে ভাগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

আইন-অপরাধ আরো খুলনা পরিবেশ সারাদেশ
শেয়ার করুন...

শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর  ইউনিয়নের  শ্রীফলকাটি গ্রামে  এক বিবাহিত নারী ও তার দুই বছর বয়সী শিশুকে ফুসলিয়ে ভাগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর মা রেহানা পারভীন শ্যামনগর থানায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয় অভিযোগকারীর মেয়ে খাদিজা খাতুন (২১) একজন বিবাহিত নারী ও এক সন্তানের জননী। বিয়ের আগ থেকেই শ্রীফলকাটি গ্রামের নজরুল গাজীর ছেলে মিকাইল গাজী তাকে বিভিন্নভাবে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে বিরক্ত করতেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন অভিযোগকারী রেহানা পারভীন 

অভিযোগ সূত্রে  জানা যায়, গত ১৩ জুলাই ২০২৬ সকাল  ১০টার দিকে অভিযোগকারী বাড়ি না থাকার সুযোগে মিকাইল গাজী পিতা নজরুল গাজী  রিয়াজুল ইসলাম বাবু পিতা আনারউদ্দিন সানা ও নজরুল গাজী পিতা আইজুদ্দি গাজি সহ অজ্ঞাত আরও ২–৩ জনের সহযোগিতায় খাদিজা খাতুনকে তার বাবার বাড়ি বেড়াতে আসলে বাবার বাড়ির সামনের রাস্তা থেকে কৌশলে ফুসলিয়ে ভাগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় তার সঙ্গে দুই বছর বয়সী ছেলে আরিয়ান বাবুও ছিল।

অভিযোগকারী রেহানা পারভীন বলেন, সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার মেয়ে ও নাতির কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে অভিযুক্ত রিয়াজুল ইসলাম বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি প্রথমে জানান খাদিজা খাতুন ও মিকাইল গাজী একসঙ্গে রয়েছে। তবে কিছুক্ষণ পর তিনি জানান তারা অবস্থান পরিবর্তন করেছে এবং বর্তমানে তাদের অবস্থান সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না।

এছাড়া থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে আরও বলা হয়েছে নজরুল গাজীর কাছে মেয়ে ও নাতির অবস্থান জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধামকি প্রদান করেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানার জন্য তাদের বাড়িতে গিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। এছাড়া তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী বলেন, অভিযোগ হলে তদন্ত হবে। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *