
মিন্টু ইসলাম শেরপুর বগুড়া প্রতিনিধি:
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে মোট ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে শেরপুর থানা পুলিশ। গ্রেফতারি পরোয়ানা, মাদক মামলা, ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজা এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় (ধর্তব্য অপরাধ নিবারণকল্পে) তাদের আটক করা হয়। শনিবার দুপুরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে তাদের বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ৩ জন গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি, মাদক মামলার ২ জন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত ৭ জন এবং ১৫১ ধারায় ৮ জনসহ মোট ২০ জনকে আটক করা হয়।
মাদক মামলায় গ্রেফতারকৃতরা হলেন— বন মরিচা (মধ্যপাড়া) গ্রামের হাছেন সরকারের ছেলে রানা সরকার (২৬) এবং একই গ্রামের আমির সরকারের ছেলে আসাদ সরকার (২৪)।
গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত (সিআর) আসামিরা হলেন— চন্ডীপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে শিপন আলী, বেটখৈর গ্রামের মনিরুল ইসলামের স্ত্রী মিম আক্তার এবং সোলাকুড়ি গ্রামের মোজাম সেখের ছেলে সোহাগ সেখ (৩২)।
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আটকরা হলেন— হাপুনিয়া গ্রামের খয়রাত আলীর ছেলে মিলন আলী (৩২), বন মরিচা গ্রামের জাফর আলী আকন্দের ছেলে পলাশ আলী আকন্দ (৩৫), আমিনপুর গ্রামের শ্রী সুরেশ চন্দ্র সিংয়ের ছেলে শ্রী হিরালাল সিং (৩২), একই গ্রামের গোবিন্দ চন্দ্র সিংয়ের ছেলে শ্রী রঞ্জিত কুমার (৩০), ইদ্রিস আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম (৩৫), হামছায়াপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে মনির হোসেন (২৯), সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর থানার লক্ষিপুর গ্রামের আব্দুস সোবাহানের ছেলে আব্দুল হালিম (৩১) এবং একই থানার সোনামুখী গ্রামের মৃত কোরবান আলীর ছেলে শাহজাহান আলী (৫৫)।
ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্তরা হলেন— চন্ডেশর গ্রামের জামাত আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম (৩০), চর ঘিনাই গ্রামের মোজাহার আলীর ছেলে সাব্বির হোসেন, কল্যাণী গ্রামের মৃত বাহাদুর আলীর ছেলে জামাল হোসেন (৪০), চর কল্যানী গ্রামের আজাহার মন্ডলের ছেলে ওবাইদুল হক (২৮), একই গ্রামের বেলাল ফকিরের ছেলে সজিব ফকির (২১), মজনু মন্ডলের ছেলে জুয়েল (৩৫) এবং চর ঘিনাই গ্রামের আখের আলীর ছেলে খোরশেদ আলম (৩৫)।
শেরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইব্রাহীম আলী জানান, “গ্রেফতারকৃতদের শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপরাধ দমনে পুলিশের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
