ডাকসুর সাবেক সদস্য ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ড. রশিদ আহমেদ হোসাইনী ঈদুল ফিতরের তৃতীয় দিন কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার চিকুনিয়া নিজ বাড়িতে বিএনপির নেতাকর্মীদের সম্মানে ঈদ পুনঃমিলনী ও দুপুরের মধ্যহ্ন ভোজের আয়োজন করেন এই বিএনপি নেতা।
ঈদ পূনঃ মিলনী অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে, ড. রশিদ আহমেদ হোসাইনী বলেন, বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে লাকসাম – মনোহরগঞ্জ এই দুই উপজেলা মানুষের ভোটের অধিকার হরণ করা হয়েছে স্বাধীন ভাবে কেউ কেন্দ্র গিয়ে ভোট প্রধান করতে পারেনি।
দুই উপজেলা বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীকে রক্তাক্ত করা হয়েছে, গুম করা হয়েছে বিএনপির জনপ্রিয় নেতা সাইফুল ইসলাম হিরু ও হুমায়ুন কবির ফারভেজকে এইছাড়াও অসংখ্য নেতাকর্মীকে বাড়িঘর ছাড়া করেছিল ফ্যাসিস্ট সরকার , হাজার হাজার মিথ্যা মামলায় জেলে যেতে হয়েছিল নেতাকর্মীদের।
ড. রশিদ আহমেদ হোসাইনী বলেন, আমার রাজনীতি ইতিহাস ঐতিহ্য বলে শেষ করা যাবে না, ৯০ দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্যানেলে ( আমান – খোকন) পরিষদে ডাকসু নির্বাচনে অংশে গ্রহন করে বিপুল ভোটে আমি ডাকসু মেম্বার নির্বাচিত হয়েছে। পুরো প্যানেল নির্বাচিত হয়েছিল।
ছাত্রদলের ঢাবি শাখার দায়িত্ব ছিলাম, ৯১ সালে দেশনেত্রী আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এটিএম আলমগীর সাহেবকে ধানের শীষের টিকেট দিয়ে আমাদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন আমরা ধানের শীষের প্রার্থী এটিএম আলমগীরকে বিপুল ভোটে এমপি বানিয়ে খালোদা জিয়াকে উপহার দিয়েছি।
৯৬, সালে ষড়যন্ত্রের কারনে বিএনপির প্রার্থী পরাজিত করেছিল একটি চক্র। ২০০১ সালো কর্ণেল ( অব.) এম, আনোয়ারুল আজিম সাহেবকে আমরা বিপুল ভোটে বিজয় করেছিলাম ঐকবদ্ধ থাকার কারনে।
২০০৮ সালে পুনরায় বিএনপি মনোয়ন লাভ করেন আজিম সাহেব কিন্তু ৯৬, ২০০৮ সালের ষড়যন্ত্র কারিরা ধানের শীষে ভোট না করে এক দিনের জন্য নৌকা উঠেছিল।
আমি হোসাইনী একজন দলীয় মনোয়ন প্রত্যাশী ছিলাম কিন্তু আমি ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছি।
তিনি বলেন ২০১৮ সালের আমি দলীয় মনোয়নে প্রাথমিক তালিকায় ছিলাম কিন্তু ফ্যাসিস্ট সরকারের নজর দারিতে থাকার কারনে দলীয় মনোয়ন লাভ করেছিলেন আজিম সাহেব আমি আমার অনুগত দলীয় নেতাকর্মীরা ধানের শীষের পক্ষে কাজ করি কিন্তু ততকালীন সরকার ভোটের অধিকার হরণ করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা কেন্দ্র যেতে পারেনি।
তিনি বলেন, আগামি জাতীয় সাংসদ নির্বাচনে অনেক গুরুত্ব বহন করে আমিও একজন ধানের শীষের মনোয়ন প্রত্যাশী।
দল যাকে নমিনেশন দিবে আমি তাহার পক্ষে কাজ করবো।
চাঁদাবাজ ও দূর্নীতি মুক্ত লাকসাম গড়তে বিএনপিতে ঐক্যের প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি।
ঈদ পূনঃ মিলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ- সাধারণ সম্পাদক এসএম মিজানুর রহমান, বিএনপি নেতা আতিকুর রহমান লিটন, ফখরুজ্জামান, খোরশেদ আলম খসরু, আবদুল আউয়াল, স্বেচ্ছাসেবক দলের মনোহরগঞ্জ উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি আলাউদ্দিন মেম্বার, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ইয়াছিন আরাফাত, লাকসাম উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাইন উদ্দিন সাকিব, ন, ফ সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস মজুমদার, সাবেক সিনিয়র সহ- সভাপতি নাছির উদ্দীন সোহেল প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মুদাফরগঞ্জ উত্তর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন পাটোয়ারী।
