এমপি শাওনের উদ্যোগে তজুমদ্দিন লঞ্চঘাট পল্টনের দৃষ্টিনন্দন সংযোগ ব্রিজ নির্মাণ

আরো পরিবেশ বরিশাল বিনোদন সারাদেশ
শেয়ার করুন...

তজুমদ্দিন (ভোলা) সংবাদদাতাঃ
নূরুন্নবী চৌধুরী শাওনের উদ্যোগে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার শশীগঞ্জ স্লুইজঘাট এলাকার লঞ্চঘাটের পল্টনের সাথে দৃষ্টিনন্দন সংযোগ ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে এতে করে দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ লাঘব হয়েছে এ ঘাট দিয়ে যাতায়াত করা মনপুরা উপজেলাসহ আশেপাশের চরাঞ্চলের মানুষের।

দৃষ্টিনন্দন ব্রিজটি দেখার জন্য বহুদূর থেকে আসে মানুষ। এ নিয়ে নদীপথে যাত্রীদের মধ্যে দেখা গেছে সীমাহীন আনন্দ। পল্টনসহ ব্রিজটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় এক কোটি টাকা। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৪৩০ ফুট এবং প্রস্থ ৮ ফুট।

ব্রিজটি নির্মাণের ফলে তজুমদ্দিন থেকে রাজধানী ঢাকা, পাশ্ববর্তী উপজেলা মনপুরা, চর মোজাম্মেল, চর জহির উদ্দিন, চর নাসরিন, চর কলাতলীসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে নদীপথে যাতায়াতকারী যাত্রীরা ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেয়েছে।

এর আগে বিআইডব্লিউটিএ পল্টনের সাথে একটি মাটির সড়ক করলেও ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে জোয়ারের চাপে সেটিও নদীর গর্ভে চলে যায়। পরে নদীতে জোয়ারের সময় হাঁটু পানি দিয়ে যাত্রীদের ওঠা নামা করতে হতো পন্টুনে। পন্টুনে ওঠার বিকল্প কোনো রাস্তা না থাকায় যাত্রীদের এই ভোগান্তি ছিল যেন নিত্য দিনের চিত্র। এমন অবস্থায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা।

ব্রিজটি নির্মাণে সরকারি বরাদ্দ ছাড়াও ঘাট ইজারাদার মো. সবুজ তালুকদার ভোলা-৩ আসনের এমপি নূরুন্নবী চৌধুরী শাওনের নির্দেশক্রমে নিজস্ব তহবিল থেকে লক্ষাধিক টাকা ব্যয় করেছেন বলে দাবী করেন তিনি।

স্থানীয়রা বলেন, আগে সংযোগ ব্রিজটি না থাকার কারণে নৌকা দিয়ে নদী পার হতে গিয়ে বয়স্ক নারী-পুরুষ ও রোগীদের অনেক সমস্যা হতো। এখন ব্রিজটি নির্মাণ হওয়ায় আমরা গাড়ি নিয়ে খুব সহজে এপার থেকে ওপারে যেতে পারছি।

বিআইডব্লিইটিএ’র সহকারী পরিচালক ও ভোলা বন্দর কর্মকর্তা,মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, যাত্রীদের যাতায়াতের সমস্যা হওয়ার কারণে বিআরডব্লিউটিএ থেকে এখানে উন্নতমানের পন্টুন ও সংযোগ ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। যার নির্মাণ ব্যয় প্রায় এক কোটি টাকা। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৪৩০ ফুট এবং প্রস্থ ৮ ফুট।

ভোলা-৩ আসনের এমপি নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন বলেন, তজুমদ্দিন উপজেলা স্লুইজ এলাকার লঞ্চঘাটের পন্টুনে ওঠার কোনো ব্যবস্থা না থাকায় জোয়ারের সময় হাঁটু পানি দিয়ে যাত্রীদের উঠা নামা করতে হতো। পন্টুনের ওঠার বিকল্প কোনো রাস্তা না থাকায় যাত্রীদের এই ভোগান্তি ছিলো যেন নিত্য দিনের চিত্র। এমন অবস্থায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা। এ দৃশ্য আমার নজরে আসলে আমি বিআইডব্লিইএ’র কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করি। পরবর্তীতে বিআইডব্লিউটিএ খুব অল্প সময়ের মধ্যে পন্টুনের সংযোগ ব্রিজ নির্মাণ করে দেয়। এতে করে দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ লাঘব হয়েছে এ ঘাট দিয়ে যাতায়াত করা মানুষের।


শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published.