মিন্টু ইসলাম, শেরপুর বগুড়া প্রতিনিধিঃ
বগুড়ার শেরপুরে ঘরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রতিবন্ধীর স্ত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূ বাদি হয়ে মঙ্গলবার (৩১মে) দুপুরে শেরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলায় অভিযুক্ত রনি হোসেনকে (২১)কে গ্রেপ্তার করেছে। সে শেরপুর উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের শুভগাছা মধ্যপাড়া গ্রামের বাবলু মিয়ার ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ মে শনিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে উপজেলার শুভগাছা মধ্যপাড়া গ্রামের প্রতিবন্ধী কাওছার প্রামাণিকের স্ত্রী ঘরের দরজা খুলে বাড়ির একপাশে স্থাপিত টিউবয়েলে পানি আনতে যায়। আর এই সুযোগে প্রতিবেশি রনি হোসেন প্রাচীর টপকে বাড়ির ভেতর গৃহবধূর ঘরে ঢুকে পড়ে। একপর্যায়ে ওই গৃহবধূ ঘরে এলে তাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করেন লম্পট রনি। এমনকি ঘরের মেঝেতে ফেলে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এসময় ওই গৃহবধূর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এলে রনি হোসেন দ্রুত পালিয়ে যান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার বাদি ভুক্তভোগী গৃহবধূ অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয়ভাবে আপোষ-রফার কথা বলে ঘটনাটি ধাপাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালান গ্রামের কতিপয় ব্যক্তি। এরই ধারাবাহিকতায় আইনের আশ্রয় নিতেও বাধার সৃষ্টি করা হয়। এমনকি মামলা করলে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতিও দেখানো হয়। এরপরও উপযুক্ত বিচার পাওয়ার আশায় থানায় মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান।
এদিকে থানা হাজতে আটক অভিযুক্ত রনি হোসেনের বক্তব্য জানতে চাইলে ভুলবশত এই কাজটি করেছেন বলে স্বীকার করেন।
এব্যাপারে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। যার নং-৪৭। সেইসঙ্গে মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে বগুড়ায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর হয়েছে।
এছাড়াও ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।