
সারিয়া চৌধুরী ঃ
লাকসামে বিভিন্ন অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে এক আন্তরিক ও প্রাণবন্ত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে সমাজ থেকে অন্যায়, অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টায় গ্রীন ভিউ রেস্টুরেন্ট-এ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রায় ৮৫ জন সদস্য অংশ নেন। এতে ছিল পরিচিতি পর্ব, মুক্ত আলোচনা, মতবিনিময় এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা—যা পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক জি.এম.এস রুবেল।
আলোচনায় বক্তব্য রাখেন এমএস দোহা, আব্দুল কুদ্দুস, আরিফুর রহমান স্বপন, ফারুক আল শারাহ, জাফর আহমেদ, আব্দুর রহিম, সেলিম চৌধুরী হিরা, আমজাদ হোসেন, জাহিদ আনোয়ার শান্ত, হামিদুল ইসলাম, নাজমুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন পেয়ার, ব্যবসায়ী সংগঠক মো. আবুল কালাম, মুজিবুল হক, মোহাম্মদ শাহ নূর এবং নারী নেত্রী খোন্দকার নাজমুন নাহার নুপুরসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
বক্তারা বলেন, লাকসামের অরাজনৈতিক ও জনকল্যাণমূলক সংগঠনগুলো যদি একত্রে কাজ করে, তাহলে সামাজিক সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে এবং নাগরিক সেবার মান উন্নত হবে। তারা জোর দিয়ে বলেন, ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমেই সমাজ থেকে অন্যায়, অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধ করা সম্ভব। একই সঙ্গে সংগঠনগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সংগঠনগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল লাকসাম প্রেসক্লাব, লাকসাম সাংবাদিক ইউনিয়ন, লাকসাম নাট্যজংশন, খুন্তা ফাউন্ডেশন, লাকসাম সিতোরিউ কারাতে দো অ্যাসোসিয়েশন, লাকসাম সিটি রানার গ্রুপ, রক্তের বাঁধন লাকসাম, কন্টেন্ট ফ্যামিলি, রূপ বুটিকস নারী উন্নয়ন সংস্থা, বিডি ক্লিন লাকসাম, লাকসাম টিভি ফাউন্ডেশন, স্টুডেন্ট কমিউনিটি, ব্যান্ড শৈশব, লাকসাম ব্লাড গ্রুপ, মানবতার তরে মানবপ্রেমী, নূপুর নারী কল্যাণ সমিতি, স্মাইল ফাউন্ডেশন, লাকসাম চাইনিজ মার্শাল আর্ট উশু একাডেমি, পশ্চিম গাঁও উন্নয়ন সংস্থা এবং ভিক্টোরি অব হিউম্যানিটি।
মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিল দৈনিক যায়যায়দিন, সাপ্তাহিক সময়ের দর্পণ, নিউজ পোর্টাল দূর্বার ডটকম, লাকসাম টিভি ও লাকসাম সিটি নিউজ।
অনুষ্ঠানটি স্পন্সর করেন, আল খিদমাহ স্পেশালাইড ডায়াগানষ্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার, হলি বাইতুল্লাহ ট্রাভেলস, রোকেয়া অহিদ ডেন্টাল কেয়ার।
শেষে ব্যান্ড শৈশবের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এই আয়োজন অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সৌহার্দ্য বৃদ্ধি, পারস্পরিক পরিচিতি জোরদার এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে সমন্বয়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
